বাংলাদেশ অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক চ্যানেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার ভারতকে চিঠি দিলেও দিল্লি কোনো কার্যকর জবাব দেয়নি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ভারত শুষ্ক মৌসুমে উজানে পানি প্রত্যাহার করছে এবং বর্ষায় হঠাৎ বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করছে। সর্বশেষ জেআরসি বৈঠকটি গত ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হলেও এরপর থেকে ভারত যোগাযোগ এড়িয়ে চলছে।
বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, উজানের দেশ হিসেবে ভারত অভিন্ন নদীর পানি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ডিসেম্বরের দিকে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অথচ চুক্তি বলবৎ থাকা অবস্থাতেই বাংলাদেশ ন্যায্য পানি পাচ্ছে না। পরিবেশবিদরা সতর্ক করেছেন, পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষি ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, তিস্তা ও কুশিয়ারার মতো নদীগুলোতে পানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
সরকারি উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে আলোচনার উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ঘনিয়ে আসায় নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত উত্তেজনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।