২০২৬ সালের ২৯ জুন জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের মাসিক আয় ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা হলেও ব্যয় হয় ৬ কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৯১ টাকা। আয়ের তুলনায় ব্যয় দ্বিগুণ হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন টানেলের সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ, লাইটিং, বায়ু চলাচল, অগ্নি-নিরাপত্তা, সিসিটিভি ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে দৈনিক ব্যয় ছিল প্রায় ৩৭ লাখ টাকা, যা কৃচ্ছ্রসাধন নীতির মাধ্যমে ২২–২৩ লাখ টাকায় নামানো হয়েছে। সরকার টানেলটিকে লাভজনক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
সংসদে অন্যান্য প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, যানজট নিরসনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত দেশের প্রথম বিআরটি করিডোর দ্রুত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ, গণপরিবহনে জিপিএস স্থাপন এবং ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও রুট নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও তিনি তুলে ধরেন।
রেলমন্ত্রী জানান, বুয়েটের সহায়তায় ঢাকায় তিনটি লেভেলক্রসিং গেটে অটোমেটিক ব্যারিয়ার স্থাপনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে এবং ভবিষ্যতে স্মার্ট গেট সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্ণফুলী টানেলের ব্যয় আয়ের দ্বিগুণ, সংসদে পরিবহন খাতের সংস্কার পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।