Web Analytics

চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বন্দর নিরাপত্তা, রাজস্ব ফাঁকি এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ডেলিভারি নিষিদ্ধ থাকা ২৫০টি কনটেইনারের অবস্থান এখনো যাচাই করছে কাস্টমস। এর মধ্যেই ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে প্রায় তিন কোটি টাকার রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরির কাপড়ভর্তি ৪০ ফুটের একটি কনটেইনার বের করে নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

MRSU-8692827 নম্বরের কনটেইনারটি ফ্রান্সের এক ক্রেতার অর্ডারের জন্য গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেড আমদানি করেছিল। শুল্ক, ডেমারেজ ও অন্যান্য বাবদ ৪৫ লাখ টাকা পরিশোধের পর ৩০ আগস্ট আমদানিকারকের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ডেলিভারি নিতে যায়। পরে বন্দর জানায়, ১১ আগস্ট এন৪ ব্যবস্থায় কনটেইনারটি ডেলিভারি দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই শ্রমিকের নামসহ মামলা হয়েছে, তবে কনটেইনারটি উদ্ধার হয়নি।

পুলিশ বলেছে, কেপিআই এলাকার প্রবেশাধিকার-সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতায় তদন্ত কঠিন হয় এবং ভেতরের লোকের সম্পৃক্ততা ছাড়া কনটেইনার সরানো সম্ভব নয় বলে সন্দেহ রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, ২৫০টি কনটেইনার এখনো বন্দরে সংরক্ষিত আছে। গত এক বছরে নিখোঁজ পাঁচটি কনটেইনার খুঁজতে কাজ চলছে এবং পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

29 Sep 26 1NOJOR.COM

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার নিখোঁজে নিরাপত্তা উদ্বেগ ও তদন্ত জোরদার

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।