ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, চন্দ্রনাথ মন্দিরের জায়গায় মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের নেই। যা ভাইরাল হয়েছে, সেটি স্রেফ গুজব। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার তা কঠোর হাতে দমন করবে। উপদেষ্টা বলেন, মন্দিরের পুরনো সেই সংস্কার করে নতুনভাবে উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বলে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, খিলক্ষেতে একটি মন্দির ও দু’টি মসজিদে জমি বরাদ্দ দিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল এটা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে। একই স্থানে মসজিদ ও মন্দিরের জন্য জমি প্রদানের ঘটনা প্রমাণ করে বাংলাদেশ একটি সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে সবাই নিজ-নিজ ধর্মের অনুশাসন পালন করবে। কেউ কারো জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এর আগে উপদেষ্টা বলেন, ‘মসজিদ যদি কারো তৈরিই করতে হয় তাহলে মুসলিম পপুলেটেড এরিয়া আছে। চন্দ্রনাথের পাহাড়ের ওপরে মসজিদ বানাতে যাবে, ওখানে নামাজ পড়তে যাবে কে? এটা আসলে গুজব।'
খিলক্ষেতে একটি মন্দির ও দু’টি মসজিদে জমি বরাদ্দ দিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল এটা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে: ধর্ম উপদেষ্টা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।