বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক ফায়ার লাইসেন্স ছাড়া পরিচালিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী মো. কাওসার হোসাইন। তিনি জানান, ‘অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩’ অনুযায়ী সব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ফায়ার লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে ১৮,১১৩টি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৭,৫৬৫টির লাইসেন্স রয়েছে, ফলে প্রায় ১০,৫১৮টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোই অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে অবস্থিত এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রিটকারীর আবেদন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
ফায়ার লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাইকোর্টের রুল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।