দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), আর এ সময় দেশের আর্থিক খাত দীর্ঘ অস্থিরতা ও অনিয়মের পর ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে ফিরছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে ধস থেকে রক্ষা করে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি দমনমূলক সংস্কার কার্যক্রম চালায়। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগে বড় অগ্রগতি না হলেও আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনই ছিল তাদের প্রধান সাফল্য।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি ১১.৬ শতাংশ থেকে কমে ৮.৫৮ শতাংশে নেমেছে। ব্যাংকিং খাতে পাঁচটি দুর্বল শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে নতুন ব্যাংক গঠন ও ঋণ আদায়ে কঠোরতা আনা হয়েছে। রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে বাণিজ্য ভারসাম্য ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে পরিণত হয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নতুন বিএনপি সরকারের সামনে রাজস্ব ঘাটতি, ঋণের চাপ এবং এলডিসি উত্তরণের মতো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা সাম্প্রতিক স্থিতিশীলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারে।
বিএনপি সরকার গঠনের প্রাক্কালে আর্থিক খাত স্থিতিশীলতার পথে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।