যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড ইরান ও ভেনেজুয়েলা সংক্রান্ত মার্কিন বৈদেশিক নীতি ও সামরিক সিদ্ধান্তে মতবিরোধের কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে ক্রমশ প্রান্তিক অবস্থানে চলে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে “হস্তক্ষেপ-বিরোধী” অবস্থান ও “আমেরিকা ফার্স্ট” দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নিয়োগ দিলেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে তার সংযত অবস্থান প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্যাবার্ডকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়। সিআইএর নেতৃত্বের সঙ্গে তার সম্পর্কও টানাপোড়েনপূর্ণ ছিল এবং তিনি সীমিত উপদেষ্টার ওপর নির্ভর করতেন। এসব কারণে প্রশাসনের ভেতরে তার প্রভাব আরও কমে যায়।
দীর্ঘ টানাপোড়েন ও ব্যক্তিগত সংকটের পর তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পদত্যাগের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কাজের প্রশংসা করলেও ইরান ও ভেনেজুয়েলা নীতিতে তাদের গভীর মতবিরোধ তার পদত্যাগের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে আসে।
ইরান ও ভেনেজুয়েলা নীতিতে মতবিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাপ্রধান তুলসি গ্যাবার্ডের পদত্যাগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।