ভারত ২০২৫ সালের কোয়াডের আবর্তনশীল সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, কারণ কোনো শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নয়াদিল্লি এই বৈঠককে এমনভাবে উপস্থাপন করতে চায় যাতে শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতেও এটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনার সমতুল্য মনে হয়। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীন-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক অস্বস্তি আরও স্পষ্ট করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুপস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ কোয়াড সম্মেলন আয়োজন ভারতের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে যে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশেষজ্ঞ সৌরভ গুপ্ত এই উদ্যোগকে অকার্যকর ও প্রহসনমূলক বলে মন্তব্য করেছেন।
ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত কোয়াড ২০১৭ সালে পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে জোটটির ঐক্য ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে।
ট্রাম্পের অনুপস্থিতিতে কোয়াড বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ভারত, চীন ইস্যুতে অস্বস্তি বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।