চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ার আগের দুটি মাস্টারপ্ল্যানের প্রায় ৮০ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা সিডিএ নতুন ২৫ বছরের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে এবং ৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পের ৮৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় নগরের ৪১ ওয়ার্ডের সঙ্গে পাঁচটি পৌরসভা, দুটি উপজেলা এবং ছয়টি উপজেলার আংশিক এলাকা যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
১৯৬১ ও ১৯৯৫ সালের পরিকল্পনায় পাহাড়, কৃষিজমি, জলাশয় ও সবুজ এলাকা সংরক্ষণ, সড়ক, বাস টার্মিনাল এবং রেলওয়ে ওভারব্রিজ নির্মাণের কথা ছিল। তবে গত তিন দশকে প্রায় ১২০টি পাহাড় ও গত দুই দশকে ২৩ হাজার পুকুর হারানোর তথ্য দিয়েছে বিভিন্ন গবেষণা ও পরিবেশবাদী সংগঠন। নগরের অন্তত ৫০০ ভবন খালের ওপর নির্মিত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং এতে ১৯ খাতে ২৭৬টি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। পাহাড়, জলাশয় ও কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণ এবং ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ ধারণা এতে অন্তর্ভুক্ত। নগর বিশেষজ্ঞরা আইন সংস্কার, সিডিএর জনবল বৃদ্ধি ও সব সংস্থার সমন্বয় চেয়েছেন। সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ইমারত আইন মানতে সবাইকে বাধ্য করা এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে কাজের কথা বলেছেন।
পুরোনো পরিকল্পনার ব্যর্থতার মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য ২৫ বছরের নতুন মহাপরিকল্পনা করছে সিডিএ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।