প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক অবনতি, ভেঙে পড়া জনসেবা এবং দীর্ঘ বিদ্যুৎ-পানি সংকটকে কেন্দ্র করে জনঅসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী তিউনিসে হাজারো মানুষ সাইদের ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ ও জীবনযাত্রার অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। একই সময়ে তার সমর্থকেরা পাল্টা সমাবেশ করে বিরোধীদের দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে কারাবন্দির দাবি জানান।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তিউনিসিয়া পরিচালক সালসাবিল শেল্লালি বলেন, সরকারবিরোধী সমালোচনা কার্যত অসহনীয় হয়ে উঠেছে এবং বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী নেতাদের অনেকে কারাগারে বা নির্বাসনে রয়েছেন। এন্নাহদার শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশ বন্দি; ৮৫ বছর বয়সী নেতা রাশেদ ঘানুশিও কারাগারে আছেন।
তাপপ্রবাহ ও দাবানলে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমি পুড়েছে, আর লোডশেডিংয়ে বহু এলাকায় টানা ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। গবেষক হামজা মেদদেবের মতে, সেন্সরশিপের কারণে মানুষ প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে দায়ী করতে ভয় পায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইইউ, আলজেরিয়া ও লিবিয়ার সমর্থনে সাইদের অবস্থান শক্ত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সংস্কারের আশা ক্ষীণ।
দমন, অর্থনৈতিক সংকট ও সেবা বিপর্যয়ে তিউনিসিয়ায় বাড়ছে জনঅসন্তোষ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।