পাহাড়, ঝরনা, সাগর ও সবুজের আকর্ষণে সীতাকুণ্ডে পর্যটকের চাপ বাড়লেও রেলসেবা তা সামাল দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ছুটি ও বিশেষ দিনে ট্রেনে জায়গা না পেয়ে যাত্রীরা ছাদে উঠে ঝুঁকি নিচ্ছেন। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার সকালে চট্টগ্রামমুখী ঢাকা মেইল সীতাকুণ্ডে পৌঁছালে কামরা ও ছাদ থেকে দলে দলে যাত্রী নামতে দেখা যায়। পরে তারা চন্দ্রনাথ পাহাড়, গুলিয়াখালী, মহামায়া ও ইকোপার্কে যান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ছুটির দিনে যাত্রীর চাপ কয়েক গুণ বাড়লেও অতিরিক্ত কোচ বা বিশেষ ট্রেন চালু হয় না। কুমিরা স্টেশনে বিলম্বিত মেইল ট্রেন গভীর রাতে পৌঁছালে পরিবারসহ নামা যাত্রীরা পর্যাপ্ত যানবাহনের অভাব, অতিরিক্ত ভাড়া ও নিরাপত্তাহীনতায় পড়েন। কুমিরা স্টেশন মাস্টার আশরাফ জানান, রাত ৩টার দিকে বখাটে ও মাদকসেবীদের উৎপাত বাড়ে এবং সেখানে স্থায়ী জিআরপি পুলিশ নেই।
রেলকর্মী পরিচয়ে টিকিটবিহীন যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং ট্রেনের অ্যাটেনডেন্টদের টাকা নেওয়ার অভিযোগও এসেছে। সীতাকুণ্ড স্টেশন মাস্টার নিজাম উদ্দিন এক যাত্রীর কাছ থেকে দেড় হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের কথা জানান। স্থানীয়রা অতিরিক্ত কোচ ও বিশেষ ট্রেন, সীতাকুণ্ডে নিয়মিত আন্তঃনগর স্টপেজ, সময়নিষ্ঠতা, রাতের নিরাপত্তা ও অভিযোগের তদন্ত দাবি করেছেন।
সীতাকুণ্ডে পর্যটকের চাপে রেলে ছাদযাত্রা, বিলম্ব ও রাতের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।