২০২৬ সালের ২২ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তীব্র কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি পালানোর গুজব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালায় না’। ব্যবসায়ী নেতারা তাকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানান। এর আগে সরকারবিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও শতাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকার সরকারি চাকরিতে ৭ শতাংশ কোটা রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে পূর্ণ মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবি জানায়। সরকার ইন্টারনেট বন্ধ, কারফিউ ও দমন অভিযান চালায়।
জাতিসংঘ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইউএন লেখা সাঁজোয়া যান ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশে সহিংস কোটা আন্দোলনের মধ্যে শেখ হাসিনার ঘোষণা, ‘শেখ হাসিনা পালায় না’
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।