বাংলাদেশ সরকার পুরোনো জাহাজ আমদানির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৫ বছর থেকে কমিয়ে ১০ বছর করেছে, যা দেশীয় পতাকাবাহী জাহাজে বিনিয়োগের গতি কমিয়ে দিতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিপিং খাতের উদ্যোক্তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয় গত জুনে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত প্রায় ২০ বছর বয়সি জাহাজ কিনে ব্যবসা করেন; কম বয়সি জাহাজের বেশি দাম তাদের জন্য বড় বাধা হতে পারে।
সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের হিসাবে, বর্তমানে বাংলাদেশি পতাকাবাহী মাদার ভেসেল রয়েছে ১০৮টি; এর মধ্যে ৮৭টি বাল্ক কার্গো এবং আটটি কনটেইনারবাহী জাহাজ। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, জাহাজ ভাড়ায় বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়, বিপরীতে দেশীয় পতাকাবাহী জাহাজের আয় এক বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। তাদের দাবি, বহর ৫০০টিতে উন্নীত হলে বছরে অন্তত আট বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ২০ বছর বয়সি একটি বাল্ক জাহাজের দাম ১৫ থেকে ১৬ মিলিয়ন ডলার হলেও একই ধরনের ১০ বছর বয়সি জাহাজের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। চট্টগ্রাম নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসার বলেন, এনবিআর বয়সসীমা নির্ধারণে তাদের মতামত নেয়নি। তাঁর মতে, কম বয়সি জাহাজ বহরের গড় বয়স কমালেও নতুন নিয়ম সাম্প্রতিক বহর বৃদ্ধির প্রবণতা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।
১০ বছরের জাহাজ আমদানি সীমায় দেশীয় বহর বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।