খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের জমিতে দুটি অবৈধ মার্কেট নির্মাণ এবং দোকান বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনামলে আইন লঙ্ঘন করে এ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এ বিরোধের প্রভাব স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতেও পড়েছে; প্রকাশ্য সংঘাত, বহিষ্কার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বিষোদ্গারের অভিযোগ উঠেছে।
চুকনগর বাজার বণিক সমিতির স্মারকলিপি অনুযায়ী, ২০২০ সালে জরাজীর্ণ ডাকবাংলো ভাঙার পর ৫৬ শতক সরকারি খাস জমিতে পাকা ছাদযুক্ত মার্কেট নির্মিত হয়। জেলা পরিষদ ৮৮ জনকে বরাদ্দপত্র দিলেও সেখানে ১২৬টি দোকান নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ। দোকানগুলো ১৫ থেকে ২৫ লাখ টাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এক পক্ষ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে, অন্য পক্ষ বলছে উৎকোচের বিনিময়ে দোকান বরাদ্দ নেওয়ায় মার্কেট ভাঙলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, মার্কেট নিয়ে আদালতে মামলা চলছে এবং সেখানেই সমাধান হবে। তিনি বকেয়া খাজনা আদায়ের উদ্যোগের কথাও জানান।
চুকনগরে জেলা পরিষদের জমিতে নির্মিত মার্কেট নিয়ে ব্যবসায়ী ও বিএনপির বিরোধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।