সারা দেশের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করায় জনজীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে রাজবাড়ী, নাটোরের বড়াইগ্রাম, খুলনার রূপসা, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া ও বাগেরহাটের চিতলমারীর ভুক্তভোগীদের দীর্ঘ ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। গরমের মধ্যে এই পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন কাজকর্ম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বলে তারা জানিয়েছেন।
রাজবাড়ীতে ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে; ছোট শিল্প, দোকান ও সেচনির্ভর কৃষিও ক্ষতিগ্রস্ত। বড়াইগ্রামে দিন-রাত মিলিয়ে ১৫-১৬ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অভিযোগ রয়েছে, যা পোলট্রি, মৎস্যচাষ, যানচালক ও কারখানামালিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রূপসায় দিনে চার-পাঁচবার এবং রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।
কাঁঠালিয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাওয়াট হলেও বরাদ্দ ১ দশমিক ৫ থেকে ২ মেগাওয়াট বলে কর্মকর্তারা জানান। চিতলমারীতে প্রায় ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য ১০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাঁচ থেকে ছয় মেগাওয়াট সরবরাহ হচ্ছে বলে স্থানীয় জোনাল অফিস জানিয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে উৎপাদন, সেচ, ব্যবসা ও শিক্ষায় ব্যাঘাত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।