চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজকে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলার অভিযোগে অভিযুক্ত জোবাইরুল হক জিয়ানকে ধরতে সম্প্রতি তার গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। সাতকানিয়ার ছদাহা ইউনিয়নের ছৈয়দাবাদ এলাকায় চলা ওই অভিযানের সময় এক প্রতিমন্ত্রীর ফোনের পর কর্মকর্তাদের ধীরগতিতে এগোনোর নির্দেশ দেওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। পরে অভিযান আর এগোয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, দুই দিন আগে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জিয়ান গ্রেপ্তারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ধরতে জোর তৎপরতা চলছে। তবে কোন প্রতিমন্ত্রী ফোন করেছিলেন এবং কেন অভিযান ধীর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। অভিযানের সঙ্গে যুক্ত সূত্রগুলো ফোনের পর গ্রেপ্তার তৎপরতায় স্পষ্ট পরিবর্তনের কথা বলেছে।
অনুসন্ধানে জিয়ানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন ও মামলা নিয়ে আলোচনা, আর্থিক লেনদেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহেদুল ইসলাম ও চকবাজার থানার সাবেক ওসি বাবুল আজাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগের তথ্যও রয়েছে। হাসিব আজিজ বলেন, তিনি ‘সানজিদা ইসলাম সায়মা’ পরিচয়ধারীকে নারী ভেবে যোগাযোগ করেছিলেন; পরিচয়টি ভুয়া জানার পর যোগাযোগ বন্ধ করেন।
প্রতিমন্ত্রীর ফোনে জিয়ান গ্রেপ্তার অভিযানের গতি কমার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।