স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, অপরাধ প্রতিরোধে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি পরিচালিত হবে। এসব এলাকায় নিয়মিত অপহরণের ঘটনা ঘটে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সমন্বয় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে মাদক, অস্ত্র ও মানবপাচারবিরোধী যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে এপিবিএনের একজন ডিআইজি নেতৃত্ব দেন এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পের প্রধান সমস্যার মধ্যে রয়েছে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার, বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনা এবং সাধারণ অপরাধ। এপিবিএনের প্রায় ৪০০ সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাকে তদন্তের সুযোগ দেওয়ায় তাঁরা অপরাধ তদন্তে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট ফেন্সিং বা কাঁটাতার পুনর্নির্মাণ করা হবে এবং সৌরবিদ্যুতের আলো, সার্কিট ক্যামেরা, কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বা সীমান্তে জরুরি অবস্থা হলে নির্ধারিত এসওপি অনুযায়ী একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের অধীনে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কার্যক্রম চলবে। প্রত্যাবাসন পৃথক উচ্চপর্যায়ের কমিটি দেখছে বলে মন্ত্রী জানান।
অপরাধ দমনে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন দুই এলাকায় সেনা ক্যাম্প হবে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।