ইরান যুদ্ধের কারণে কাঁচা তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বর্তমানে সীমিত সক্ষমতায় চলছে। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মার্চ মাসের নির্ধারিত ক্রুড অয়েল চালান সময়মতো না পৌঁছায় জরুরি মজুত ব্যবহার করে দুটি ইউনিট সচল রাখা হয়েছে, বাকি দুটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণে রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতে শেষ চালান এসেছে এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন চালান পৌঁছালে পূর্ণ উৎপাদন শুরু হবে। বিপিসি দাবি করেছে, অতিরিক্ত ডিজেল ও অকটেন আমদানির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি ঘাটতি হবে না।
ইআরএলের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দূর ও সক্ষমতা দ্বিগুণ করতে ৩১ হাজার কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা এবং স্বচ্ছতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ মনে করেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে বেশি সুফল আসবে।
বিপিসি বলছে, সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের তেল উৎপাদন দ্বিগুণ হবে, আমদানি ব্যয় কমবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির তেল সংকট, ৩১ হাজার কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্পে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।