রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে, এতে জনজীবন ও চলমান এসএসসি পরীক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দিনে বা রাতে পড়তে বসলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে প্রচণ্ড গরমে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অভিভাবকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ লোডশেডিং না দেয়। বিদ্যুৎ সংকটে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা, ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকটি কারখানা মালিক জানিয়েছেন, সময়মতো কাজ সরবরাহ করতে না পারায় অর্ডার বাতিল হচ্ছে।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র সাধারণত ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে, কিন্তু বর্তমানে পানি স্বল্পতার কারণে উৎপাদন নেমে এসেছে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াটে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের এলাকাতেই ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, দুটি লাইনের একটি বন্ধ রেখে অন্যটি চালু রাখা হচ্ছে এবং পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দেন।
এই পরিস্থিতি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকটের বৈপরীত্যকে স্পষ্ট করে তুলেছে।
কাপ্তাইয়ে ১২–১৪ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষা ও স্থানীয় অর্থনীতি বিপর্যস্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।