শীতের আগমনে সিরাজগঞ্জের চলনবিল অঞ্চলে দেশি ও পরিযায়ী পাখির আনাগোনা বেড়েছে। জলাশয়, ধানক্ষেত ও গাছপালায় আশ্রয় নিচ্ছে নানা প্রজাতির পাখি। তাড়াশের উলিপুর গ্রামে শত শত গাছে শামুকখোল, পানকৌড়ি, বক ও সারসসহ বিভিন্ন পাখি বাসা বেঁধেছে। তবে চলনবিলের বিভিন্ন এলাকায় শিকারিদের ফাঁদ পাতার কারণে পাখির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পাখিগুলো সকালে খাবারের সন্ধানে আশপাশের জলাশয় ও ফসলের মাঠে যায় এবং দিন শেষে গাছের বাসায় ফিরে আসে। বিষ্ঠায় বাড়িঘর নোংরা হওয়া ও দৈনন্দিন কাজে কিছু অসুবিধা হলেও উলিপুরের বাসিন্দারা পাখি তাড়ান না; বরং পাহারা দেন। ইউপি সদস্য আবদুস সালাম বলেন, পাখি শিকার করতে আসা কয়েকজনকে ধরে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে এবং স্থায়ী পাহারাদার নিয়োগের দাবি রয়েছে।
জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম দুর্গম এলাকায় নিয়মিত শিকার ও ‘কেল্লা ফাঁদ’ ব্যবহারের কথা জানান। বিশেষজ্ঞরা আবাসস্থল সংকোচন, গাছ কাটা, খাদ্যসংকট ও শিকারকে ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, উলিপুরকে পাখির অভয়ারণ্য ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং পাহারাদার নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
শীতের পাখি রক্ষায় উলিপুরবাসীর পাহারা, চলনবিলজুড়ে শিকারিদের তৎপরতার উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।