হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধ্যতামূলক টোল বা সেবা ফি আরোপের সম্ভাবনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্বের আটটি শীর্ষ জাহাজমালিক ও শিপিং সংগঠন। ইরান ও ওমান প্রণালিটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমঝোতার কাছাকাছি—এমন খবরের পর তারা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গেজকে চিঠি পাঠায়। সোমবার পাঠানো চিঠিটি বুধবার প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনগুলোর মতে, টোল আরোপ আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের প্রতিষ্ঠিত নীতি ও স্বীকৃত আইনগত কাঠামোর পরিপন্থি হবে। তারা বলেছে, নৌচলাচলের অধিকার রাজনৈতিক দর-কষাকষির অংশ হওয়া উচিত নয়। স্থায়ী টোল ব্যবস্থা জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে। আইএমও প্রধানও আগে এমন টোলকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও বৈশ্বিক শিপিংয়ের জন্য ক্ষতিকর নজির বলেছিলেন।
হিনরিখ ফাউন্ডেশনের ডেবোরাহ এলমসের মতে, এর বড় প্রভাব এশিয়ায় পড়তে পারে; ডিজেল, সার ও প্লাস্টিকের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আইএমও সংঘাত শুরুর পর ৬৪টি ঘটনা নিশ্চিত করেছে, যাতে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত অন্তত ছয় হাজার নাবিক আটকে থাকার তথ্যও জানিয়েছে আইএমও ও জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর।
হরমুজে বাধ্যতামূলক টোলের সম্ভাবনায় জাতিসংঘ ও আইএমওকে চিঠি দিয়েছে আট শিপিং সংগঠন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।