এক সহকারী সম্পাদকের নামে প্রকাশিত মতামতধর্মী নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পরও কুষ্টিয়ায় বিরোধী মত দমনে রাজনৈতিক হামলা ও পুলিশ ব্যবহারের প্রবণতা রয়ে গেছে। নিবন্ধে বলা হয়, ৪ অক্টোবর ব্যক্তিগত কাজে ভেড়ামারা গিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে লালন শাহর মাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা হয়। এতে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এনসিপি স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলকে দায়ী করেছে।
নিবন্ধটি ২০১৮ সালে কুষ্টিয়া আদালত প্রাঙ্গণে মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরে। এতে অভিযোগ করা হয়, জামিন পাওয়ার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করেন; আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হস্তক্ষেপ করেনি। এসব বক্তব্য নিবন্ধকারের বর্ণনা ও মূল্যায়ন হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
দৌলতপুরের এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে আটকের ঘটনাও এতে এসেছে। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্যের অভিযোগে উত্তেজনার মধ্যে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয় বলে জানায়। নিবন্ধ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁকে মুক্তি দিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। লেখক জবাবদিহি ও পেশাদার পুলিশিংয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
কুষ্টিয়ায় রাজনৈতিক হামলা ও পুলিশি ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ তুলেছে নিবন্ধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।