তারল্য সংকটের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক। তিন মাস মেয়াদি এই ঋণের মেয়াদ ২ মে ২০২৬ শেষ হলেও ব্যাংক তা ফেরত দিতে পারেনি। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও তিন মাস সময় বাড়িয়েছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকটি নগদ এক হাজার কোটি ও বন্ডের মাধ্যমে চার হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়। ব্যাংকটি সুদ বাবদ ১৪২ কোটি টাকা পরিশোধ করলেও মূল অর্থ ফেরত দিতে পারেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের ১৬(৪)(ডি) ও ১৭(১)(বি) ধারায় ৯০ দিনের জন্য ১১.৫ শতাংশ সুদে এই ঋণ দেওয়া হয়, যার বিপরীতে ব্যাংকটি ডিমান্ড প্রমিসরি নোট জমা দেয়। এর আগে ইসলামী ব্যাংকসহ আরও পাঁচটি ব্যাংক একইভাবে ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছিল। বড় করপোরেট আমানত প্রত্যাহারের ফলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের তারল্য সংকট তীব্র হয় এবং ব্যাংকটি সিআরআর ও এসএলআর সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক প্রিমিয়ার ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করে। সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবালের সময় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংকটি দীর্ঘদিন ধরে সংকটে ছিল। বিশেষ সুবিধা ও ডেফারেল সুবিধা পেয়েও ব্যাংকটি লোকসান দেখিয়েছে এবং মূলধন ঘাটতি রয়ে গেছে।
পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ প্রিমিয়ার ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সময় বাড়ানো
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।