একটি বাংলা নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ইতিহাসচর্চা সুলতান মাহমুদ গজনবিকে নিষ্ঠুর, মন্দিরধ্বংসকারী ও ধর্মীয় উন্মাদ হিসেবে তুলে ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম বিভাজন গভীর করেছিল। নিবন্ধটির মতে, অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম শাসনামলকে ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবে উপস্থাপন করা তাদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতির অংশ ছিল। লেখাটি মাহমুদের অভিযান বিষয়ে গভীর ও নিরপেক্ষ গবেষণার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানায়।
সৈয়দ সুলাইমান নদভির উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি বলেছে, ঔপনিবেশিক ইতিহাসে মাহমুদের অভিযানকে বাছাই করা ভাষ্যে লুটপাট হিসেবে দেখানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্বিচার নির্যাতন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্মীয় নিপীড়নের প্রচলিত অভিযোগের ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। অনন্দপালকে পরাজিত করার পর নগরকোট থেকে পেশোয়ারের পথে জনপদ লুণ্ঠন না করা, কনৌজের রাজাকে ক্ষমা করা এবং হিন্দুদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উদাহরণও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমনাথ প্রসঙ্গে নিবন্ধটি রোমিলা থাপারের গবেষণার উল্লেখ করে বলেছে, মাহমুদ মন্দিরটি পুরোপুরি ধ্বংস করেননি এবং হিন্দু শাসকদের মধ্যেও মন্দির লুণ্ঠনের ঘটনা ছিল। লর্ড এলেনবরোর ১৮৪২ সালের সোমনাথের দরজা গজনিতে নেওয়ার দাবিও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে; থাপারের মতে, তুর্কি-ফারসি বিবরণে এ ঘটনার উল্লেখ নেই।
নিবন্ধে মাহমুদ গজনবির অভিযান নিয়ে ঔপনিবেশিক বয়ানকে প্রশ্ন করা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।