টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে বুধবার অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকায় মরাগাঙ্গী নদীর ওপর নির্মিতব্য ৯০ দশমিক শূন্য ৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা। দুদক টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিপ্লব হোসেন অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
বিপ্লব হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে সেখানে দুর্নীতির আভাস পাওয়া গেছে। দুদকের কর্মকর্তারা ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের পিলার ভেঙে দেখে রডের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় কম পেয়েছেন। ঘটনাস্থলে বাঁশ পাওয়া না গেলেও গণমাধ্যমে দেখা ভিডিওতে শাটারিংয়ে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি দেখা গেছে বলে তিনি জানান। বিশেষজ্ঞদের সরেজমিন প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রাথমিক সত্যতা মিললে কমিশনকে বিস্তারিত জানানো হবে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় করা মামলায় পুলিশ সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে এবং উপজেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এলজিইডির এক উপসহকারী প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত ও দুই প্রকৌশলীকে শোকজ করা হয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে; নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
ফুটপাতের স্ল্যাবে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে বাসাইল সেতুতে দুদকের অভিযান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।