যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত ‘এপস্টেইন ফাইলস’-এর নথিতে ২০১৩ সালের একটি ইমেইল প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ বা লন্ডনের অভিজাত সমাজের প্রভাবশালী মুখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা নাসরা হাসান নরওয়ের কূটনীতিক তেরিয়ে রড-লারসেনকে পাঠানো ওই ইমেইলে পাকিস্তানে পশ্চিমা-সমর্থিত স্বাস্থ্য উদ্যোগ, বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচিতে ইমরান খানের প্রভাব কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তৎকালীন সময়ে ইমরান খান ছিলেন বিরোধী দলের রাজনীতিক ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেট তারকা। সরকারি পদে না থাকলেও পশ্চিমা দেশগুলোতে তার সামাজিক যোগাযোগ ও পরিচিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। নাসরা হাসানের মতে, এসব যোগাযোগের কারণে সংবেদনশীল কূটনৈতিক ইস্যুতে, বিশেষ করে পোলিও নির্মূল বিষয়ে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের তুলনায় ইমরান খানকে বেশি কার্যকর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখা হয়েছিল।
জেফ্রি এপস্টেইনের আর্থিক ও পেশাগত নেটওয়ার্ক তদন্তের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এই ইমেইলগুলো প্রকাশ করে, যা ২০১৩ সালের পাকিস্তানের স্বাস্থ্য কূটনীতি নিয়ে নতুন তথ্য উন্মোচন করেছে।
এপস্টেইন ফাইলসে প্রকাশিত ২০১৩ সালের ইমেইলে ইমরান খানকে বলা হয় ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।