২০২৬ সালের ১২ জুন ইন্টারপোলের রেড নোটিসে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, যিনি একসময় রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজের নিয়ন্ত্রণে ভাবতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত কমডোর জসীম উদ্দীন ভূঁইয়ার এই প্রবন্ধে বলা হয়েছে, কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষাকবচ উপেক্ষা ও নীতিগত ব্যত্যয় র্যাবের ভেতরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির জন্ম দেয়। লেখকের মতে, র্যাবে কর্মকর্তাদের প্রেষণকাল দুই বছরের বেশি না রাখার প্রস্তাব মানা হলে এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।
প্রবন্ধে র্যাবের জন্মলগ্ন থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা, দীর্ঘমেয়াদি প্রেষণ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং বেনজীর আহমেদ ও জিয়ার প্রভাব বিস্তারের ফলে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা কীভাবে ভেঙে পড়েছিল তা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই বিচ্যুতির ফলে পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রযন্ত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার বৃদ্ধি পায়।
লেখক নীতিনির্ধারক, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন এই অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম ও নৈতিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করেন।
সাবেক আইজিপি বেনজীরের গ্রেপ্তার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা ও নীতি উপেক্ষার চিত্র উন্মোচন করে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।