কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দলীয় বিবেচনায় নয়, নিরপেক্ষভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রান্তিক ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে লক্ষ্য ধরে সবাই পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। রোববার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি কৃষকের জন্য একটি সার্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র হিসেবে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধাসহ বিভিন্ন কৃষি সেবা পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের নামে হিসাব খোলা হয়েছে এবং বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯৩.৭ শতাংশ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রতি বছর ২,৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ, কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা ও সহজ শর্তে কৃষিঋণ পাবেন।
রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষককে কার্ড দেবে সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।