ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর কৌশলগত কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিশ্বের অন্যতম তেল পরিবহন রুট এই প্রণালি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে অন্তত ৭০০ তেলবাহী ট্যাংকার আটকা পড়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত এক লাখ টন অপরিশোধিত তেলবাহী একটি জাহাজ সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকে আছে। আগামী ২২ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আরেকটি জাহাজ রওনা হওয়ার কথা থাকলেও সেটিও বিলম্বের আশঙ্কায় রয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাহাজগুলো রওনা করতে না পারলে কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে দেশের জ্বালানি বাজারে চাপ বাড়বে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বিকল্প রুট ও উৎস অনুসন্ধানের তাগিদ দিয়েছেন, যেমন আবুধাবির জায়েদ বন্দর বা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন ও ইন্দোনেশিয়া থেকে পরিশোধিত তেল আমদানি। বর্তমানে প্রায় এক মাসের মজুত থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি সংকট হলে জ্বালানি নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জে পড়বে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে; ডিজেলের দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলার থেকে ১১৮ ডলারে পৌঁছেছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধে তেল সরবরাহ ব্যাহত, বাংলাদেশের রিফাইনারি ও বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতি হুমকিতে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।