ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন এক সমঝোতা স্মারক ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে। বিবিসির সাংবাদিক জেরেমি বোয়েনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের সীমা এবং ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের তেহরান সম্পর্কে ভুল মূল্যায়নকে স্পষ্ট করেছে। সমঝোতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণ এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যদিও এটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি নয়।
বোয়েনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে হাজারো মানুষ নিহত ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তারা এখন ইরানের সঙ্গে সহাবস্থানের নতুন পথ খুঁজছে। চীনও নিবিড়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সীমাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণ করেছে।
সমঝোতা স্মারক যুদ্ধপূর্ব অবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে ইসরাইলকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত না করায় তেল আবিবে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন আধিপত্যের সীমা প্রকাশ করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।