মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। দেশটি সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন, বিশেষ করে একটি সার্বভৌম দেশের নেতাকে হত্যা করে সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলা ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সময় চীন মূলত দর্শকের ভূমিকায় ছিল, যা তার মিত্রদের সহায়তায় সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট ও এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা বলেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চাইলেও সামরিক সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। তারা মনে করেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেকে স্থিতিশীল বৈশ্বিক নেতা হিসেবে তুলে ধরতে চাইবেন। বিশ্লেষকরা আরও সতর্ক করেছেন যে জ্বালানি সরবরাহ ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।
চীন ইতোমধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। ওয়াং ই ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে একজন বিশেষ দূত পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের হামলার নিন্দা জানিয়ে মিত্র সহায়তায় সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে চীন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।