হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিডের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে মান প্রণয়ন করেছে। ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে এ সীমা প্রযোজ্য হবে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে সোমবার বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ অংশীজন পরামর্শ সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভার শিরোনাম ছিল বাংলাদেশে টিএফএমুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও উৎপাদন উৎসাহিতকরণ। এতে বিএসটিআই মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন। বিএসটিআই মহাপরিচালক বলেন, নিরাপদ ও ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং শিল্পের বাস্তব সমস্যা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিবেচনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। ২০২১ সালের প্রবিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘি-এর জাতীয় মানও সংশোধন করেছে।
খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বিএসটিআই
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।