২০২৪ সালের ১৪ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে কোটা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে। ১৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার মধ্য দিয়ে আন্দোলন শুরু হয় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে মন্তব্যের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ ওঠে এবং আন্দোলন দ্রুত সহিংস রূপ নেয়।
১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন, যাকে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে স্মরণ করা হয়। ১৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন এবং শিক্ষার্থীদের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে আহ্বান জানান।
১৮ ও ১৯ জুলাই দেশব্যাপী ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে ব্যাপক সংঘর্ষে অন্তত ১১৬ জন নিহত হন। সরকার কারফিউ জারি করে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করে এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কার্যকর করে, ফলে বাংলাদেশ কার্যত বিশ্বের সঙ্গে ডিজিটালভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতা, কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধে বাংলাদেশ অচল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।