জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম ও কুলগামসহ বিভিন্ন জেলায় টানা বর্ষণ ও মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। শত শত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় না যাওয়ার জন্য প্রশাসন নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে।
শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে পীর পাঞ্জাল পার্বত্য অঞ্চলের নদী ও ঝরনাগুলোর পানি উপচে পড়ে বিপর্যয় দেখা দেয়। রাজৌরির দরহালি নদী বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ ভেঙে আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। থানা মান্ডি, দরহাল ও মঞ্জাকোটসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। বাদগামের বেরওয়াহতে একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়লেও আগাম সরিয়ে নেওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে কাশ্মীর-মূল ভূখণ্ড সংযোগকারী প্রধান মহাসড়ক বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে এবং আবহাওয়া দপ্তর আগামী তিন দিনের জন্য ভারী বৃষ্টি ও বন্যার পূর্বাভাস বহাল রেখেছে।
জম্মু-কাশ্মীরে টানা বর্ষণে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।