যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের নতুন চিফ অব স্টাফ নিয়োগ দিয়েছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কার কয়েক দিনের মধ্যে শুক্রবার ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত জানান। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি মিলারকে নিজের সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন বলে উল্লেখ করেন। ৪১ বছর বয়সী মিলার সোমবার সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব নেবেন।
ট্রাম্পের ব্যাপক অভিবাসী বহিষ্কার অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে মিলার পরিচিত। প্রথম মেয়াদে তিনি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ও বক্তব্য লেখক ছিলেন এবং কঠোর অভিবাসন, ভিসা ও ভ্রমণ-সংক্রান্ত নীতি তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা তার বক্তব্য ও অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। ২০১৯ সালে সাউদার্ন পভার্টি ল সেন্টার প্রকাশিত ই-মেইলকে ঘিরে তার বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ওয়েবসাইট ও মতাদর্শ সমর্থনের অভিযোগ ওঠে।
আগামী জানুয়ারিতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার কথা, এবং মিলারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিফ অব স্টাফ হোয়াইট হাউসের কর্মী, নিয়োগ, প্রেসিডেন্টের কর্মসূচি ও বৈঠকের সময়সূচি তদারক করেন এবং নীতিগত পরামর্শ দেন। প্রেসিডেন্টের কাছে কোন তথ্য যাবে ও কারা তার সঙ্গে দেখা করবেন, তাতেও এই পদের প্রভাব থাকে।
স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ নিয়োগ দিলেন ট্রাম্প
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।