পারস্য উপসাগর ও আশপাশের জলসীমায় কয়েক দশকের দূষণজনিত ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। ১৩ আগস্ট ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিকমাধ্যম এক্সে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল থেকে যেসব পক্ষ লাভবান হয়, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পরিবেশগত ক্ষতি পূরণে তাদের আইনি ও নৈতিক দায় রয়েছে।
বুধবার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপের একটি সৈকতে ঘন কালো তেলের স্তর ভেসে আসে। সিএনএনের ভূ-অবস্থান যাচাই করা ভিডিওতে তেল ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। বাঘাই এটিকে দৃশ্যমান দূষণের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কয়েক দশক ধরে এ অঞ্চলের পানি ও সামুদ্রিক প্রতিবেশ ব্যাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী দূষণের শিকার হয়েছে।
বাঘাইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দূষণে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিনি সস্তা জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশ, জাহাজ চলাচলের বীমা কোম্পানি এবং সামরিক অভিযান ও ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত দেশ ও তাদের মিত্রদের দায় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলবাহী একটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ট্যাংকারের তেল রাস মাদরাকাহ এলাকার কয়েকটি সৈকতেও পৌঁছেছে।
পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের দূষণ ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।