আমার দেশ-এ ১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক মতামতধর্মী লেখায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আহমেদ অনীক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক আন্দোলনের ভূমিকা বর্ণনা করেছেন। লেখক দাবি করেন, অস্বাভাবিক কোটার বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলনটি জুলাইয়ে গতি পেয়ে পরে দেশব্যাপী রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।
লেখায় বলা হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালায় এবং শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা আহত হন। উপাচার্যের বাসভবনে বিচার চাইতে গেলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর আবার হামলা হয় বলে লেখকের দাবি। তিনি বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাভারের মানুষ আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ান এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি বহিরাগত সন্ত্রাসী ও ছাত্রলীগমুক্ত প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্দোলনে গতি আনে।
লেখক আরও উল্লেখ করেন, পরে পুলিশ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত এবং পরদিন ভারী অস্ত্রসহ হামলা চালায়, যাতে বহু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হন। তাঁর বর্ণনায়, জাহাঙ্গীরনগরেই প্রথম কারফিউ ভেঙে মিছিল হয়; ১৯ জুলাইয়ের পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বে এগিয়ে আসেন। ‘মার্চ টু ঢাকা’ পদযাত্রায় পুলিশের গুলিতে আব্দুল কাইয়ুম, আলিফ, শ্রাবণ গাজী ও নাফিসাসহ অনেকে নিহত হন বলে তিনি লিখেছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক আন্দোলনের ভূমিকা নিয়ে লেখকের বিবরণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।