পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ৯০ শতাংশ কমে গেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১২০টি ইরানি নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত বা ডুবিয়ে দিয়েছে, যার ফলে তাদের পৃষ্ঠ-নৌবহর কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং সাবমেরিনগুলোও শেষ হয়ে গেছে। হেগসেথের ভাষায়, ইরানি সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ পদগুলো এখন “অস্থায়ী চাকরি”।
তিনি বলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা ত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, স্বাধীনতা ও সভ্যতার জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করছে। গাজায় হামাসের সঙ্গে তুলনা করে হেগসেথ বলেন, ইরান টানেল, রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে পদ্ধতিগতভাবে ও প্রবল শক্তি দিয়ে আঘাত করছে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে সাত হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে এবং আরও বড় আঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হেগসেথের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ছে, আর ইরানের সক্ষমতা ক্রমশ ক্ষয় হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের হামলা ৯০% কমেছে, সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।