রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার সরকারি তথ্যের মধ্যেও কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। কৃষি অফিসের হিসাবে উপজেলায় ৮৩৬.২০ টন সার মজুত রয়েছে। তবে সার না পাওয়ায় জমি প্রস্তুত করেও আগাম আলু, বাদাম, ভুট্টা ও সবজির বীজ রোপণ করতে পারছেন না তারা। প্রতিবেদনটির তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৬।
নোহালী ইউনিয়নের মিনার বাজারের কৃষক মোশারফ হোসেন ৫৪ শতক জমিতে আলু চাষের প্রস্তুতি নিয়েও সারাভাবে রোপণ করতে পারেননি। একই এলাকার মহুবার রহমান ৯৫ শতক জমিতে বাদাম চাষের জন্য কয়েকবার ডিলারের কাছে গিয়েও সার পাননি বলে জানান। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের ভুট্টাচাষি ছবুর আলী বলেন, সময়মতো সার দিতে না পারলে ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কৃষি অফিসের তথ্যে ইউরিয়া ২৩২.৪৫ টন, টিএসপি ২৬.৫০ টন, ডিএপি ২৫৭.৮০ টন এবং এমওপি ৩১৯.৪৫ টন মজুত আছে। ডিলাররা সংকটের কথা অস্বীকার করে মৌসুম শুরু হলে সার দেওয়ার কথা বলেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন জানান, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে মজুত ও বিতরণ পরিস্থিতি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
৮৩৬.২০ টন মজুত থাকলেও গঙ্গাচড়ার কৃষকদের সার না পাওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।