চীনের প্রস্তাবিত নতুন করিডোর প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবারও তার পুরোনো লুক ইস্ট নীতিকে বিবেচনায় নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে চীন কুনমিং থেকে মিয়ানমারের লাশিও, মান্দালয় ও আকিয়াব হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তাব দেয়। এই করিডোর চালু হলে চীন সরাসরি বঙ্গোপসাগরে প্রবেশাধিকার পাবে এবং বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।
২০০২ সালে চারদলীয় জোট সরকার ভারতের ওপর নির্ভরতা কমাতে লুক ইস্ট নীতি গ্রহণ করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল আসিয়ানসহ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা। কিন্তু ভারতের বিরোধিতায় মিয়ানমার পরে প্রকল্প থেকে সরে যায়। এবার চীনের সরাসরি প্রস্তাবে সেই নীতি নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে, যদিও ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই এ উদ্যোগকে নিজেদের স্বার্থের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।
প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূরাজনীতি নতুন রূপ নিতে পারে এবং বাংলাদেশের ওপর ভারতের প্রভাব কমতে পারে। তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, বাংলাদেশকে তার সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সতর্ক থাকতে হবে এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
চীনের করিডোর প্রস্তাবে লুক ইস্ট নীতি পুনরুজ্জীবিত, ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।