বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন অধ্যাপক লিখেছেন, দেশে পেশাগত মূল্যায়ন, মর্যাদা ও বিকাশের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেক বুয়েট স্নাতক দেশ ছাড়েন বা পেশা বদলান। লেখাটিতে বলা হয়েছে, শোনা যায় বুয়েট থেকে পাস করা প্রকৌশলীদের প্রায় ৬০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে যান; কেউ ইউরোপ বা অস্ট্রেলিয়াতেও যান। অনেকের ক্ষেত্রে এটি শুধু ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নয়, দেশের শ্রমবাজারের বৈষম্য ও প্রকৌশলচর্চার সীমাবদ্ধতার ফল।
বিদেশে প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবীদের ঢালাওভাবে দেশে ফেরার আহ্বান বাস্তবসম্মত নয় বলে লেখক মত দেন। নাসা, বোয়িং, এনভিডিয়া বা ফোর্ড মোটর কোম্পানির মতো প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা দেশে ফিরে উপযুক্ত কাজের নিশ্চয়তা না-ও পেতে পারেন। তাই কোন খাতে দক্ষ জনশক্তি দরকার তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিত কর্মসূচি নেওয়া এবং আগে দেশে থাকা প্রকৌশলীদের সম্মান ও সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
লেখক উল্লেখ করেন, স্বচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেও বুয়েটে আবাসন, শ্রেণিকক্ষ, উপকরণ ও গবেষণা অর্থায়নের সংকট রয়েছে। প্রকৌশল খাতে চাকরি ও পদোন্নতির সীমাবদ্ধতা কিছু স্নাতককে প্রশাসন ক্যাডার বা ব্যবস্থাপনায় যেতে উৎসাহিত করে। পেশা পরিবর্তনকে করের অর্থের অপচয় হিসেবে না দেখে অর্জিত জ্ঞানের বহুমুখী ব্যবহার হিসেবে দেখার পক্ষে তিনি যুক্তি দিয়েছেন।
সীমিত পেশাগত সুযোগ ও মর্যাদাকে বুয়েট স্নাতকদের দেশত্যাগের কারণ বললেন অধ্যাপক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।