টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নির্গত দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ও ময়লাযুক্ত পানি আশেপাশের খাল-বিল ও নাফ নদীকে মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। আলীখালী, মুচনী ছুরি, জাদীমুরা, উনছিপ্রাং ও ওমর খালের পানি কালো হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, এই দূষণের কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং খাল ও নদীতে মাছের উৎপাদনও কমে যাচ্ছে। লবণচাষিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, কারণ দূষিত পানি লবণ মাঠে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
হ্নীলা ইউনিয়নের চার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছয়টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বসবাস করছে। স্থানীয়দের মতে, ক্যাম্পের প্রায় ৭০ ভাগ বর্জ্য সরাসরি খাল ও নদীতে মিশে যাচ্ছে। বর্ষাকালেও পানির রঙ স্বাভাবিক থাকে না এবং অনেক স্থানীয় মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন।
কৃষি ও জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক শোধনাগার স্থাপন জরুরি, নইলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে টেকনাফের খাল-বিল দূষিত, ফসল ও লবণ উৎপাদন ব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।