যুক্তরাষ্ট্রে ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট হবে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিভিন্ন জরিপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন কমার এবং কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের প্রতি ভোটারদের বেশি ঝোঁকের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ফলাফল নির্ধারণ করবে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে কি না, নাকি ডেমোক্র্যাটরা এক বা উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।
নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে ট্রাম্পের সামগ্রিক কার্যক্রমে ৩৬ শতাংশ সমর্থন এবং ৫৯ শতাংশ অনাস্থা দেখা গেছে। একই জরিপে ৫২ শতাংশ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ও ৪১ শতাংশ রিপাবলিকান প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। রয়টার্স/ইপসোসে ট্রাম্পের সমর্থন ৩১ শতাংশ এবং অনাস্থা ৬৬ শতাংশ। এনবিসির জরিপে ৭১ শতাংশ দেশ ভুল পথে যাচ্ছে বলে মত দেন। জ্বালানির দাম, নিত্যপণ্যের মূল্য ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বর্ণিত বর্তমান জোটগত হিসাব অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের চারটি করে অতিরিক্ত আসন প্রয়োজন। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেলে তারা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত ও শুনানি করতে পারবে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে আইন, বাজেট ও নিয়োগ অনুমোদনে তাদের প্রভাব বাড়বে। ট্রাম্প বলেছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে তিনি অভিশংসনের মুখে পড়তে পারেন, তবে সিনেটে দোষী সাব্যস্ত করতে ৬৭ ভোট দরকার হবে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জরিপে ট্রাম্পের সমর্থন কমার ইঙ্গিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।