পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে বাংলাদেশে কোরবানির পশু পরিবহন ও জবাইয়ে ব্যাপক নিষ্ঠুরতা দেখা যাচ্ছে, যদিও দেশে প্রাণিকল্যাণ আইন ও বিধিমালা স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। গরু, মহিষ ও ছাগলকে ট্রাকেぎাদাগাদি করে বোঝাই, পানি ও খাবার ছাড়া দীর্ঘ সময় পরিবহন এবং অমানবিক আচরণ এখন সাধারণ দৃশ্য। ২০১৯ সালের প্রাণিকল্যাণ আইন ও ২০২১ সালের মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় পশুর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, বিশ্রাম ও আলাদা প্রজাতির পৃথক পরিবহনের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অনিয়ম শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, ধর্মীয় বিধান ও জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। অতিরিক্ত চাপ ও নির্যাতনে পশুর শরীরে হরমোনগত পরিবর্তন ঘটে, যা মাংসের মান নষ্ট করে। আইনে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান থাকলেও মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ খুবই সীমিত।
প্রাণী বিশেষজ্ঞরা কঠোর নজরদারি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং গণমাধ্যম ও মসজিদের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রাণির প্রতি সদয় আচরণ শুধু আইনি নয়, এটি মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্বও।
প্রাণিকল্যাণ আইন থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে পশু পরিবহনে নিষ্ঠুরতা অব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।