দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪০৪ শিক্ষক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গোপন তৎপরতায় জড়িত—এমন অভিযোগ ঘিরে অন্তত পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে একটি এনক্রিপ্টেড টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ৪০৪ শিক্ষককে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ইউটিএলের সংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন বলেন, কোনো শিক্ষক সত্যিকার অর্থে এ কাজে যুক্ত থাকলে তদন্তসাপেক্ষে বিচার হওয়া উচিত, তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি এড়াতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিন ফোরামও সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ৬৮ শিক্ষকের অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটিকে ১৩ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে গঠিত কমিটির সময়সীমা ১২ আগস্ট। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ৪২ শিক্ষকের পরিচয় ও অভিযোগ যাচাইয়ে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি করেছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজ নিজ শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা, পরিচয়, কার্যক্রম ও দায় যাচাইয়ে কমিটি গঠন করেছে।
৪০৪ শিক্ষককে ঘিরে অভিযোগ তদন্তে অন্তত পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।