মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা চট্টগ্রাম বন্দরসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ করেন। মিডিয়া এন্ড সিভিল রাইটস সোসাইটি আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম বন্দর ও জাতীয় স্বার্থ’ শীর্ষক আলোচনায় তারা বলেন, দেশের মানুষ মার্কিন স্বার্থ, ট্রাম্প প্রশাসন, ডিপি ওয়ার্ল্ড কিংবা এশিয়া এনার্জির স্বার্থ দেখার জন্য ভোট দেয়নি।
অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেন, নৌবাহিনী ও বেসরকারি কোম্পানিসহ বর্তমান পরিচালকেরা বন্দর পরিচালনার সক্ষমতা দেখিয়েছেন। যথাযথ পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পূর্ণাঙ্গ জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি মত দেন। বন্দরকে দক্ষ করতে কাস্টমস, আমলাতন্ত্র ও অবকাঠামোয় পরিবর্তন দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদেশি কোম্পানি আনার সঙ্গে এসব সংস্কারের সম্পর্ক নেই; এতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক মাত্রা রয়েছে।
অর্থনীতিবিদ মোশাহিদা সুলতানা ঋতু বর্তমান প্রায় ৪০ লাখ টিইইউ কনটেইনার সক্ষমতা এবং ২০৩৫ সালের ৮৬ লাখ টিইইউ লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্য বাড়ছে না এবং বিদেশি অপারেটরদের হাতে টার্মিনাল গেলে মুনাফা বাইরে যেতে পারে। অন্য বক্তারাও জাতীয় নিরাপত্তা, জনগণের সম্পদের মালিকানা ও লাভজনক টার্মিনাল হস্তান্তর নিয়ে উদ্বেগ জানান।
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি সম্পৃক্ততা নিয়ে জাতীয় স্বার্থের উদ্বেগ তুললেন বক্তারা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।