ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬‑এ শেষ হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দিল্লি স্বস্তি প্রকাশ করেছে বলে *আমার দেশ*‑কে জানিয়েছে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র। ভারতের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, ইউনূস সরকারের বিদায়ে বাংলাদেশ ইস্যুতে তাদের চাপ কমেছে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারত প্রথম অভিনন্দন জানায়।
ইউনূসের শাসনামলে ঢাকা‑দিল্লি সম্পর্ক ছিল অস্থির। তিনি দিল্লিকেন্দ্রিক নীতি থেকে সরে এসে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন। এতে আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। এখন দিল্লি নতুন সরকারের মাধ্যমে হারানো প্রভাব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দিল্লির ইতিবাচক বার্তা সত্ত্বেও সীমান্ত হত্যা, পানিবণ্টন, বাণিজ্য ভারসাম্য ও শেখ হাসিনার আমলের চুক্তিগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তারা মনে করেন, দুই দেশের সম্পর্ক আপাতত ইস্যুভিত্তিক হবে এবং আস্থা পুনর্গঠনে সময় লাগবে।
ইউনূস সরকারের অবসানে দিল্লির স্বস্তি, তারেক রহমান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।