ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনব্যাপী দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শনিবার তেহরানে শুরু হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের চার মাসেরও বেশি সময় পর এই আয়োজনকে ইরানি কর্মকর্তারা ‘শতাব্দীর সেরা দাফন’ বলে উল্লেখ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এতে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষ অংশ নেবে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের তেহরানভিত্তিক ইউনিট ‘মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ কোর’ পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হাজারো সেবাকেন্দ্র, ১০ লাখ দর্শনার্থীর থাকার ব্যবস্থা এবং ৮০০ বিদেশি সাংবাদিকের উপস্থিতিতে এটি হবে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও এতে যোগ দিয়েছেন।
শনিবার ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠানটি রোববার পর্যন্ত চলবে, এরপর কোম, নাজাফ ও কারবালায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে। দাফনের পর ৪০ দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান চলবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজন ইরানি রাষ্ট্রের ঐক্য প্রদর্শন ও খামেনি-পরবর্তী নেতৃত্ব, বিশেষত তার ছেলে মোজতবা খামেনির অবস্থান সুসংহত করার প্রতীকী পদক্ষেপ হতে পারে। তবে এখনো স্পষ্ট নয়, খামেনির ছেলেরা উপস্থিত থাকবেন কি না এবং জানাজায় ইমামতি কে করবেন।
তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির ছয় দিনের দাফন শুরু, কোটি মানুষের সমাগমের আশা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।