ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর নির্বাচিত নেতারা বৃহস্পতিবার ডাকসু ভবনের সামনে এক বছরের কার্যক্রমের হিসাব তুলে ধরেছেন। সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের জানান, পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, গবেষণা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, আইনি সহায়তা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন খাতে গত এক বছরে এক হাজার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তবে নির্বাচনী ইশতেহারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি বলেও তারা স্বীকার করেন।
সাদিক কায়েম ক্যাম্পাসকে সহিংসতামুক্ত রাখাকে ডাকসুর বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এক বছরে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়নি। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আবাসন সমস্যায় ২,৮৪১ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প চলমান এবং চীনের অর্থায়নে ২৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ১,৫০০ আসনের হল অনুমোদন পেয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি হলের জরুরি সংস্কারেও অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত হয়েছে। এক বছরে চার শতাধিক শিক্ষার্থীকে আইনি সহায়তা দেওয়ার কথাও জানানো হয়।
ডাকসু জানায়, সব হলে কম্পিউটার ল্যাব, এআই ও প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, সার্টিফিকেশন সহায়তা, ইনোভেশন হাব, জব ফেয়ার, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার ও ডিজিটাল সার্ভের মতো উদ্যোগ আটকে আছে। এসবের কিছু বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিএনপি সরকারের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন নেতারা। এসএম ফরহাদ বলেন, প্রশাসনিক অনুমোদন ও সরকারি সহযোগিতানির্ভর উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে ডাকসু কাজ চালিয়ে যাবে।
এক হাজার কার্যক্রমের হিসাব দিল ডাকসু, কয়েকটি বড় উদ্যোগ এখনো আটকে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।