বগুড়ায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে, যেখানে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১২ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি হবে। অনুকূল আবহাওয়া, উচ্চ ফলনশীল জাত ও জৈবসার ব্যবহারের কারণে জেলায় ৫৫ হাজার ৪৫৪ হেক্টর জমিতে ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। আগাম জাতের আলু ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে, যার দাম কেজিপ্রতি ৪০–৬০ টাকা। পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০০–৭৫০ টাকা মণ দরে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১–১২ মৌসুমে বগুড়ায় আলু উৎপাদন ছিল ১১ লাখ টনের কিছু বেশি, যা প্রতি বছরই বেড়েছে। সদর, শিবগঞ্জ, সোনাতলা, ধুনট ও শেরপুর উপজেলায় আলুর ক্ষেত এখনো সতেজ রয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, এবার কোল্ড ইনজুরি বা লেট ব্রাইট রোগ হয়নি। জেলার ৩৩টি কোল্ডস্টোরেজে দুই লাখ টনের কিছু বেশি আলু সংরক্ষণ করা যায়।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ঝড়-বৃষ্টি না হওয়া এবং আমন ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত থাকায় আলু আবাদে সুবিধা হয়েছে। স্থিতিশীল দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা লাভের আশা করছেন।
বগুড়ায় আলুর বাম্পার ফলনে ছাড়াতে পারে সাড়ে ১২ লাখ টনের লক্ষ্যমাত্রা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।